1. jahidrangpurpress@gmail.com : admin :
শিরোনাম:
রংপুরে দর্শনা স্পোটিং ক্লাবের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত পীরগাছায় ৩০ বছর ধরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ। থানায় অভিযোগ দিয়েও মিলছে না সমাধান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রংপুরের ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন রংপুরে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে আরপিএমপি পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত। রংপুরে ৬৩ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি, মাঠে কাজ করছে ১১ প্লাটুন সদস্য। রংপুরে ১৯ পিচ ইয়াবা সহ ২ (দুই) পুলিশ সদস্য আটক। পীরগাছা সাব-রেজিস্টার অফিসে “দলিল লেখক ও সাব-রেজিস্টারের মধ্যে তর্ক বির্তকের ঘঠনায় কর্ম বিরতি। রংপুরে দিন দিন বাড়ছে অনুমোদনহীন পাইরোলাইসিস অয়েল (Pyrolysis Oil) কারখানা অবশেষে ১ টাকার মাস্টার-লুৎফর রহমান পেলেন গুণী শিক্ষকের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। হাজার কোটি টাকারও বেশি মেগা প্রজেক্ট, বাস্তবায়নে বদলে যাবে”বেরোবি” মাহিগঞ্জে কালো পাথরের কালীমূর্তির খণ্ডাংশ উদ্ধার, আটক ১ রংপুরে চার খুনের মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানাতে আরপিএমপি কমিশনারের প্রেস ব্রিফিং বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের রংপুর বিভাগীয় উন্নয়ন সভা ও জেলা সম্মেলন-২৬ ইং অনুষ্ঠিত। বাংলাদেশ পুলিশের ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ উপলক্ষে ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত রংপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৩৯ লাখের বেশি শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল রংপুরে জমি বিক্রি বায়না দলিল সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভুক্তভোগীর”সংবাদ সন্মেলন” “সংবাদ সম্মেলন”নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা রংপুর জেলা পুলিশের ডিবি’র অভিযানে ৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, ০১ (এক) জন মাদক কারবারি আটক নিবেদন (কবিতা) পীরগাছায় শালিসি বৈঠকে সাংবাদিকসহ পরিবারের উপর সন্ত্রাসী হামলা

রংপুরে দিন দিন বাড়ছে অনুমোদনহীন পাইরোলাইসিস অয়েল (Pyrolysis Oil) কারখানা

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮০ সময়

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রংপুর জেলার তারাগঞ্জ থানা এলাকার আলমপুর ইউপি’র ১নং ওয়ার্ডের ৩২ নাম্বার বাংগালীপুর এলাকায় গড়ে উঠেছে কয়েকটি
অনুমোদনহীন পাইরোলাইসিস অয়েল (Pyrolysis Oil) কারখানা।

একটির নাম-ইউনিক রি-সাইকিলিন ফুয়েল টেক আরেকটির নাম কি তাহা উক্ত কোম্পানিতে কর্মরত কর্মীরাই জানেন না,কোম্পানি গুলোতে অ-স্বাস্থ্যকর পরিবেশে টায়ার ও প্লাস্টিক পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে পাইরোলাইসিস অয়েল। এতে স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়েছে হাজারো স্কুল কলেজ পড়ুয়া কোমলমতি শিশু কিশোরেরা ও শাস কস্টে ভুগছে এলাকার বয়স্ক, বয়োবৃদ্ধ লোকজন। কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুরে কালো ধোয়ায় ছেয়ে গেছে।এলাকাবাসীর শত অভিযোগের পাত্তা না দিয়েই মালিক পক্ষ সরকারী কোন অনুমোদন না নিয়েই দিনের পর দিন গায়েবানা দৈব সহযোগিতায় তাদের এহেন অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সরেজমিনে কারখানা গুলোয় গিয়ে দেখা যায় কালো ধোয়ায় পুরো এলাকা ছেয়ে গেছে। দুর্গন্ধের জন্য উক্ত এলাকায় টিকে থাকা মুসকিল। এর মধ্যেই বেশ কিছু শ্রমিক কাজ করতেছে। সেখানে কর্মরত শ্রমিকদের সাথে কথা বলে কারখানা চালানোর অনুমোদন সম্পর্কে জিগ্যেস করে তাদের কাছে কাগজপত্রের কথা বললে তাহারা সংশ্লিষ্ট কারখানার মালিক রাজু,ও সবুজ এবল ইনচার্জ রফিক ও ম্যানেজার আল-আমীন এর মোবাইল নাম্বার দেন। মালিকদয়ের মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাহারা ফোন রিসিভ করেন নাই আর ইনচার্জ ও ম্যানেজারের মোবাইলে যোগাযোগ করে কারখানা গুলোর বৈধ লাইসেন্স এর কাগজপত্রের কথা বললে তাহারা কোন রকম কাগজপত্র দেখাতে পারেনি তাদের ভাষ্যমতে অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন। এখন কথা হলো অনুমোদনের কাজ যদি এখনও প্রক্রিয়াধীন হয় তাহলে ১০/১২ বছর থেকে কি ভাবে প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে এইরকম অনুমোদীত কারখানা গুলো। মুলত: এই সব কারখানা চালাতে ৬ থেকে ৭ টি লাইসেন্স এর দরকার হয়। এই প্লাস্টিক গলানো ও দহনের মাধ্যমে কেমিক্যালের বা জ্বালানির ব্যবহার ও উৎপাদন হয়, তাই পরিবেশ এবং নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ সরকার


১/ পরিবেশ অধিদপ্তর (Department of Environment – DoE) ছাড়পত্র
দিয়ে থাকে।
পাইরোলাইসিস প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। পরিবেশের ওপর এর প্রভাব মূল্যায়ন করে এই ছাড়পত্র নিতে হয়।
সেই সাথে লোকেশন ক্লিয়ারেন্স ছার পত্র
এনভায়রনমেন্টাল ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (ECC):
নিতে হয়।  এবং পরবর্তীতে পরিবেশগত ছাড়পত্র নিতে হবে। ইটিপি (Effluent Treatment Plant) বা এয়ার পোলিউশন কন্ট্রোল ডিভাইসের ব্যবস্থা আছে কি না, তা এখানে যাচাই করা হয়।
২. ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স লাইসেন্স নিতে হয়।
প্লাস্টিক এবং উৎপাদিত তেল অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ হওয়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই কারখানার জন্য ফায়ার সেফটি প্ল্যান অনুমোদন
এবং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক।
৩. বিস্ফোরক অধিদপ্তর (Department of Explosives) লাইসেন্স।
যেহেতু এই কারখানায় দাহ্য তেল (Fuel Oil/Furnace Oil) উৎপাদিত ও সংরক্ষিত হয়, তাই বিস্ফোরক আইন অনুযায়ী লাইসেন্স বা অনাপত্তি সনদ নিতে হয়।
৪. স্থানীয় সরকার বা ট্রেড লাইসেন্স (Trade License)
কারখানাটি যে এলাকার আওতাধীন (সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ), সেখান থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে।
৫. জেলা প্রশাসন ও বিস্ফোরক সংক্রান্ত অন্যান্য অনুমতি।
কারখানার ধারণক্ষমতা এবং লোকালয়ের ওপর ভিত্তি করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ অনুমতি বা অনাপত্তি (NOC) নিতে হয়।
৬. বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) নিবন্ধন
কারখানাটি যেহেতু বাণিজ্যিক বা শিল্প আকারে (ব্লাক কার্বন, ফার্নেস অয়েল ইত্যাদি উৎপাদনের জন্য) বড় পরিসরে চলতেছে সেহেতু (BIDA)-এর শিল্প নিবন্ধন প্রয়োজন।
৭. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) – VAT ও TIN সার্টিফিকেটও দরকার হয়


এই বিষয়ে উক্ত এলাকার সচেতন মহলের সাথে কথা হলে তাহার বিষয়টি সম্পর্কে উদদেগ প্রকাশ করে বলে এদের খুটির জোর যে কোথায় তাহা আমাদের অজানা এভাবে কোন অনুমোদন না নিয়েই বে-আইনি ভাবে বছরের পর বছর ধরে তাদে এরকম অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এলাকাবাসী আনারুল(৫০),রনি ইসলাম(৩৫) রহুল আমীন(৩০) দের সাথে কথা হলে তাহারা বলে এর আগে আমরা এলাকাবাসীর কারখানা দুটিতে হামলা চালিয়ে কয়েকবার বন্ধ করে দিয়েছিলাম পরে আবার তৈরি করে চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা চাই যথাযত আইন মেনে পরিবেশের ক্ষতির দিক ও আমাদের স্বাস্থ্যের দিক বিবেচনা করে কোম্পানির কার্যক্রম পরিচালনা হোক। স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন কোন না কোন দৈব কারনে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ। সংশ্লিষ্ট কারো সাথেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নাই©

1Shares

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাটাগরির আরও খবর...
© All rights reserved 2025 by-www.ekusheykhobor.com
Site Customized By Suman Chowdhury
Skip to toolbar